সবে বরাত বিতর্ক সভ্যতার সংঘাত নাকি স্বার্থের সংঘাতঃ

বাচতে হলে জানতে হবে...

প্রখ্যাত রাজনৈতিক বিশ্লেষক স্যামুয়েল পি. হান্টিংটন ১৯৯৩ইং সালে একটি প্রবন্ধ লিখেন, “The Clash of Civilization? The Next Pattern of Conflict “। এ প্রবন্ধে ১০ টি সভ্যতার সংঘাতের কথা লিখেছিলেন। পরবর্তিতে ২০০১ সালে “The Age of Muslims Wars ” নামে আরো একটি প্রবন্ধ লিখেন।
এ প্রবন্ধে তিনি স্পষ্ট করে মুসলমানদের সাথে খ্রিষ্ট ধর্মাবলীর সংঘাতের কথা উল্লেখ করেন।এবং মুসলমানরাও একে অন্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে বলে উল্লেখ করেন। তার মন্তব্য সারা বিশ্বে আলোচিত ও সমালোচিত হয়,এবং তা মুসলিম বিদ্বেষী বলে চিহ্নিত করা হয়। এ হলো স্যামুয়েল পি. হান্টিংটনের বিশ্লেষনের সামান্য অংশ।
ইসলামিক ঐতিহাসিক বুযুর্গগনের মতে বিশ্বে তিনটি বিশ্বযুদ্ধ হবে যা, ১৯১৪-১৯১৮ পর্যন্ত প্রথম, ১৯৩৮ থকে শেষ নামতে ১৯৪৮ দ্বিতীয় বিশ্ববযুদ্ধ হয়ে গেছে। আরএকটি বিশ্বযুদ্ধের অপেক্ষায় বিশ্ব। আর তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের ঘটার প্রেক্ষাপট বর্তমান বিশ্বে বিরাজমান। ক্ষমতার দন্দ, অন্যায় অবিচার, অন্যায় পন্থী শাসক বর্তমান বিশ্বে অনেক দেশেই লক্ষ করা যাচ্ছে।
ইসলামের চতুর্থ খলিফা হযরত আলী (রাঃ) বলেছেন যখন দেখবে একটি দেশ অজ্ঞদের হতে চলে গেছে তখন বুঝবে সে দেশের বিনাস নিকটে। আছাড়াও উনি আরো বলেন, পাচটি জিনিস খুব খারাপ,
ক.আলেমের খারাপ কাজ।
খ.শাসকের লালসাবৃত্তি।
গ.বৃদ্ধের জেনাকারিতা।
ঘ.ধনীর কৃপণতা।
ঙ.নারীর নির্লজ্জতা।
উপরোক্ত বিষয়গুলোর প্রত্যেকটা, সমাজের দিকে তাকিয়ে বর্তমান প্রেক্ষাপট বিবেচনা করার দায়িত্ব আপনার নিজের।
আমরা আলেমের খারাপ কাজ নীয়ে আলোচনা করছিঃ একজন আলেম হয়ে নিজ, দুনিয়াবি স্বার্থের জন্য অন্য সাধারন মানুষকে বিভ্রান্ত করতে পারেন না। ইসলামে সে অধিকার আপনাকে দেওয়া হয়নি। ইসলাম কোন ঠুনকো বিষয় নয় সর্বশ্রেষ্ট মহামানব, শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (স:) বলেছেন - তোমারা দুইটি জিনিষ আকড়ে ধরে রেখো ১, আল-কোরআন ২ আমার সুন্নত। তারপরেও এটা আখেরি (শেষ) যামানা, এসম্পর্কে হযরত মুহাম্মদ (সঃ) বলেন, " আমার উম্মতদের মধ্যে এমন সময় আসবে যখন মুসলিমদের মধ্যে বিভিন্ন মত ও পথের আগমন ঘটবে, কিন্তু সেদিন তোমরা প্রকৃত সত্য মত ও পথকে আকড়ে ধরে রেখো।
আজ যদি বিশ্ব মুসলিমদের দিকে দৃষ্টি নিক্ষেপ করা হয় তাহলে দেখা যায় তাদের মধ্যে বিভিন্ন দল ও মতের উদ্ভব ঘটেছে। শিয়া, সুন্নী, রাফেজী, খারেজী, কাদিয়ানী, ওহাবী, মোহাম্মাদী ইত্যাদি। নবী মুহাম্মদ (স:) বলেন, আমার পছন্দের জামাত সুন্নী জামাত। এছাড়া আরো বলেন, " আমার পূর্ববর্তী নবীদের ৭২ ফেরকা (দল) ছিল, কিন্তু আমার উম্মতদের মধ্যে ৭৩ ফেরকা (দল) হবে। ১ ফেরকা জান্নাতী আর ৭২ ফেরকা জাহান্নামী হবে।
বর্তমান ইসলামী বিশ্বে বিভিন্ন দল ও মতের কারনে মুসলমানরা অশান্তির আগুনে জ্বলছে। এর মধ্যে ওহাবী মতবাদ প্রকট আকার ধরন করেছে এবং সরলমোনা মুসলমানদের মধ্যে বিভ্রান্ত ছড়াচ্ছে। আর এদের পিছনের শক্তি বর্তমান সৌদ সরকার, কারন তারা ওহাবীমতাদর্শের অনুসারী।
ওহাবীদের উৎপত্তিঃ
সৌদিতে নজদ নামে একটি প্রদেশ আছে। নজদ প্রদেশটির প্রতি হযরত মুহাম্মদ (স) খুবই অসন্তষ্ট ছিলেন, অনান্য এলাকার জন্য দোয়া করতেন কিন্তু নজদ প্রদেশের জন্য কখনো দোয়া করেননি। ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হযরত ইবনে উমর (রঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসুল (স) বলেছেন হে আল্লহ আমাদের শাম (সিরিয়া) ও ইয়েমেন দেশের বরকত দান করুন। উপস্থিত সাহাবাগন 'নজদ' প্রদেশের জন্য পর পর তিন বার দোয়া করতে আবেদন করলেন, রাসুল (স) বললেন নজদ দেশে নবতর ফেতনা রয়েছে এবং নজদ দেশ হতে শিংযুক্ত শয়তান বের হবে।
রাসুল (স) হাদিস মিথ্যা হতে পারে না। পরবর্তিকালে ঐ নজদ প্রদেশ থেকে মোহাম্মদ আব্দুল ওহাব নামে এক ব্যাক্তির আবির্ভাব ঘটে। তিনি নজদের হুরাইমিলা নামক স্থানে ১৬৯৬ইং সনে জন্ম গ্রহন করেন এবং ১৭৮৭ ইং সনে মারা জান। মাত্র ৯১ বছর জীবনে তিনি ইসলামিক অনেক ভ্রান্ত মতবাদের অবতারনা করে জান( তিনি মুলত বিধর্মীদের চক্রান্তের শিকার)। পর্যালচনা করলে দেখা যায়, কোন কোন দল বা দলের নেতৃস্থানীয় ব্যাক্তিগন স্বার্থের জন্য ইহুদি ও খিস্টানদের চর হিসেবে কাজ করে নিজেদের ধর্মকে বিকৃত করতে দ্বিধাবোধ করেনি। তার ই একজন ওহাবি মতবাদের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আব্দল ওহাব। তিনি ব্রিটিশদের যোগসাজছে ইসলামের মধ্যে নতুন মতবাদের জন্ম দেন।
তৎকালিন ব্রিটিশ গোয়েন্দা অফিসার হামফ্রে, ছদ্যবেশী মুসলমান সেজে তুরস্কের শায়ক আফিন্দির নিকট কুরআন ও হাদিস শিক্ষা করেন।
পরবর্তি কালে কোন ভাবে মোহাম্মদ আব্দুল ওহাবের (ওহাব নজদী)সাথে ছদ্যবেশী হামফ্রের ঘনিষ্ট বন্ধুত্ব হয়ে যায়। তাদের মধ্যে কোরআন ও হাদিসের মৌলিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হত।
হামফ্রে তার " হামফ্রেজ মেমোরিজ-১ নামক ডায়েরিতে সমস্থ বিষয় লিপিবদ্ধ করেন। মাসিক তরজুমন পত্রিকায় আগষ্ট-সেটেম্বর ১৯৮৭ সংখ্য ওহাব নজদী প্রসঙ্গটি বাংলায় অনুবাদ করেছিলেন জনাব লোকমান আহম্মদ আমিনী। নিবন্ধটি ' হামফ্রেজ মেমোরিজ' শিরনামে প্রকাশিত হয়।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যখন, হামফ্রে এর ডায়েরি " হামফ্রেজ মেমোরিজ" টি জার্মান দের হাতে চলে যায়, তখন জার্মান পত্রিকা
'ইসপলিগ' ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশ করে। এতে ব্রিটিশদেরকে বিশ্ব সমাজের নিকট লজ্জিত হতে হয়। পরবর্তিতে ডায়েরিটি ফরাসি পত্রিকায়ও প্রকাশিত হয়।
ডায়েরিতে হামফ্রে লিখেন, আমি যখন তরকানের কাজে নিয়োজিত ছিলাম তখন ওহাব নজদীর সাথে আমার পরিচয়। তিনি উচ্চাভিলাী, সম্মানাকাংখী এবং ধোপ দুরস্ত লোক ছিলেন। উসমানীয় সরকারের প্রতি সর্বদা ঘৃনা পোষন করতেন এবং সামালোচনা করতেন( উল্লেখ্য: প্রধান চার খলিফার খিলাফতের শাসন শেষ হবার পর, উসমানিয় শাসন প্রতিষ্ঠা পায় এবং উসমানিয় শাষকগনও শরীয়(কোরআন, হাদিস, ইজমা, কেয়াস) শাষন এর উপর প্রতিষ্ঠিত ছিল। সুতরাং বোঝা যায় ওহাব নজদী/ আব্দুল ওহাব সম্পুর্ণ শরিয়ার উপর প্রতিষ্ঠা ছিলেন না) হামফ্রে বলেন, ওহাব নজদী স্বাধীনচেতা মানুষ ছিলেন। তিনি কোরআন চর্চা করেছেন তবে কোন কোন সময় তার চিন্তাধার প্রখ্যাত আলেমদের বিপরিত অর্থে হতো। হানাফী, সাফেয়ী, হাম্বলী ও মালেকী শিক্ষাকেন্দ্রের বা এই চার মতবাদের কোনটিরই কোন গুরুত্ব ছিলনা তার কাছে। তিনি কথাই কথাই বলতেন রাসুল (স) শুধু কিতাব ও সুন্নতকে অপরিবর্তনীয় বিধান করে আমাদের জন্য পেশ করেছেন। নবী পরে চার খলিফা বা সাহাবা কেরাম, চার মাজহাবকে উনি মানতেন না। তিনি কখনো বলেননি সাহাবায়ে কেরাম দের বর্ণনা অটল অবর্ণীয় ও অহির সামিল। উলামা চার মাজহাবের চার ইমাম ও নবীব সাহাবাদের মতবাদ যাই হোকনা কেনো তা দিয়ে দ্বীনকে (ইসলাম)কে মজবুত করার দরকার নেই।
ওহাব নজদী অনেক ঘটনার কথা ভেবে হামফ্রে তার ডায়েরির এক জায়গা লিখেছেন," আমি চিন্তা করলাম কোথায় এ অহংঙ্কারী যুবক আর কোথায় ইস্তাম্বুলের আহমদ আফেন্দী, হানাফী মাজহাবের অনুসারী বৃদ্ধ, ইমাম আবু হানাফী (র) নাম নেওয়ার আগে অজু করে নিতেন। আর ওহাব নজদী ইমাম আবু হানাফী (র) কে তুচ্ছ জ্ঞান করে। তিনি বলতেন, আমি আবু হানাফী র চেয়ে বেশি জানি, এবং সহী বোখারী শরিফ বেহুদা, কিতাব বৈকি"।
হামফ্রে বলেন, যা হোক আমি আব্দুল ওহাব নজদীর সাথে গভীর সম্পর্ক করে নিলাম এবং বার বার একথা শোনাতাম " আল্লহ আপনাকে হযরত উমর (রঃ) ও হযরত আলী (রঃ) থেকে বেশি উপযুক্ত করে বানিয়েছেন। আপনি যদি রাসুল (স) এর সমসাময়িক লোক হতেন তবে রাসুল (স) এর স্থলাভিষিক্ত হওয়ার গৌরব অর্জন করতে পারতেন। আমি সবসময় আসাভরা সুরে তাকে বলতাম ইসলামের যে বিপ্লব সাধিত হবে তা আপনার দ্বারাই হোক। আপনি এমন ব্যাক্তিত্ব সম্পুর্ণ লোক যে আপনিই ইসলামকে অবনতির হাত থেকে রক্ষা করতে পারবেন। আমি আব্দুল ওহাবের সাথে ঠিক করলাম যে আমরা দুজন মজলিসে বসে উলামা,মুফাসিরীন, মাযহাব ও সাহাবাদের থেকে, ভিন্ন পন্থায় নতুন চিন্তা ধারার ভিত্তিতে কোরআন মাজিদ নিয়ে আলোচনা করবো। আমি কোরআন পড়তাম আর আয়াতের অর্থনিয়ে মতামত প্রকাশ করতাম। আমার উদ্দেশ্য ছিল যে কোন ভাবে ইংরেজ উপনিবেসবাদী সংস্থার ফাদে জড়িয়ে দেওয়া। আমি ক্রমে ক্রমে এই উচ্চাভিলাষী লোকটিকে জড়িয়ে ফলতে লাগলাম।।।
সংক্ষিপ্ত আকারে ওহাবি মতবাদের প্রতিষ্ঠাতা আব্দুল ওহাব সম্পর্কে জানানো চেষ্টা করলাম। এখন সহজেই অনুমেয় তাদের পথ ভূল না সঠিক, চিন্তা করার দায়িত্ব আপনাদের।
তারা বলে -
সবে বরাতে নামাজ পড়া যাবে না ও
রোজা রাখা যাবে না।
নবীর সানে কিয়াম সালাম করা যাবে না।
কেউ বলে তারাবির নামাজ আট রাকায়াত,
নামাজের মধ্যে উদ্ভট অঙ্গ ভঙ্গি ইত্যাদি।
এই ওহাবি বিজটা বাংলাদেশে বর্তমান।
আরে ভাই, নামাজ রোজা তো আল্লহর জন্যই ৫ দিন ব্যতিত সারা বছর রোজা রাখা যায়। তাহলে কেনো নামজ রোজায় বিরোধিতা করেন। একজন সামান্য এম পি, মন্ত্রীর সম্মানে দাড়িয়ে সালাম দেন, তাহলে নবীর সম্মানে দাড়িয়ে সালাম (কিয়াম) কেনো করা যাবে না।
যার সৃষ্টি না করলে কুল কায়নাত কোনকিছুই সৃষ্টি করতেন না। আল্লহ তাআলা বলেছেন, "আমি মানুষকে আমার ইবাদত বন্দেগীর জন্যই সৃষ্টি করেছি" আর আপনারা কেনো আল্লহর বিরোধিতা করছেন। কেনো নবীকে নিয়ে নবীর সুন্নত নীয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করছে? কেনো বিভ্রান্ত করছে সরল মনের মুসলিমদের? আপনারাতো নিজ স্বার্থের জন্য ইহুদি খ্রিস্টানদের এজেন্ট হয়ে ইসলামকে ধ্বংস করছেন। ওরা আপনাদের দিয়ে করাচ্ছে আর উচ্চাভিলাষের জন্য আপনারা তা করছেন আর নিজেকে জাহান্নামের উপযুক্ত করে নিচ্ছেন (আল্লহ ভালো জানেন)। কারন ওরা জানে ইসলামের বিজয় নিকটে, ওরা কোরআন নিয়ে গবেষনা করে, আমাদের মত গাধা নয়। তাই ইসলামের বিজয় ঠেকাতে ওরা উঠে পড়ে লেগেছে, ইসলামের মধ্যে বিভিন্ন দল উপদল সৃষ্টি করছে।বেহায়াপানা সহজলভ্য করে দিচ্ছে, আর বলছে এটাই সভ্যতা। আর আমরা সেই বেহায়াপানা সহজেই গ্রহন করছি। আসলে কথা পৃথীবিতে অনেক সভ্যতার বিলুপ্তি ঘটেছে। উত্থান - পতন হয়েছে অনেক কিছুই। ইসলাম শিক্ষা দেয় স্বার্থ মুক্তি ও সত্যের। কিন্তু বর্তমান মানুষ স্বার্থের পিছেই ঘুরছে, বিশ্ব ও বাংলাদের বিভিন্ন দিকে লক্ষ করলে দেখা যায় স্বার্থ টা প্রায়ই সংঘাতে রুপ নিচ্ছে সেটা কখনো ছোট কখনো একটু বড়। এভাবে স্বার্থের সংঘাতটা বাড়তে বাড়তে একসময় সভ্যতার সংঘাতে রুপ নিবে। আর তখনই এই আধুনিক সভ্যতার বিনাষ ঘটবে। কারন কোন সংঘাতই প্রথমে সৃষ্টি করে না, আগে ধ্বংশ করে তারপর আস্তে আস্তে সৃষ্টি করে। আর এখন যেসব স্বার্থের সংঘাত চলছে সেসব স্বার্থের মুলে রয়েছে অর্থ, আর সেটা বেশির ভাগই মিথ্যাকে কেন্দ্র করে। হতে পারে ক্ষমতা দখল, মতবাদ দখল, মত - পথের প্রতিষ্ঠার জন্য। আর সত্য কথা বলতে কি, ওদের গলার জোরও বেশি। একটি প্রবাদ বাক্য আছে, বড় মাছ নড়ে কম আর দেখবেন চিংড়ি মাছ লাফ দেয় বেশি মরেও তাড়াতাড়ি। ভালভাবে জেনে রাখুন, সম্মুখ যে বিশ্বযুদ্ধ আসছে, সেটা সত্য পথের মুসলমানদের জয় হবে, এতে সন্ধেও পোষন করার কোন অবকাশ নেই। তাই সেই সব মুসলমান ভাইদের বলছি, যারা বিধর্মীদের এজেন্ট, ভ্রান্ত পথের অনুসারি বা শয়তানের দাসত্ব করছেন -তারা ভন্ডামি নষ্টামী ছেড়ে সত্য পথে ফিরে আসুন, সত্যতেই মুক্তি, সত্যের জয় নিকটে আর তখন ইন্টারনেট থাকবে না।
:razzin@09post

Comments

Post a Comment